Header Ads

হে মুহাম্মদ সঃ আপনি আপনার পরিবার পরিজনকে নামাযের হুকুম করিতে থাকুন | Bangla Hadis

হে মুহাম্মদ সঃ আপনি আপনার পরিবার পরিজনকে নামাযের হুকুম করিতে থাকুন  Bangla Hadis

হে মুহাম্মদ সঃ আপনি আপনার পরিবার পরিজনকে নামাযের হুকুম করিতে থাকুন | Bangla Hadis


হেমুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম)! আপনি আপনার পরিবার-পরিজনকে নামাযের হুকুম করিতে থাকুন এবং নিজেও উহার পাবন্দি করুন। আমি আপনার নিকট রিযিক চাহিনা বরং রিযিক আপনাকে আমিদিব আর উত্তম পরিণতি পরহেজ গারীর জন্যই। (সূরাত্বাহা, আয়াত: ১৩২)
          বিভিন্ন রেওয়ায়েতে বর্ণিত হইয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যখন কাহারও রুজির অভাবর দূর করিবার চিন্তা হইত তখন তাহাকে নামাযের তাকিদ করিতেন এবং উপরোক্ত আয়াত তেলাওয়াত করিয়া এই কথা বুঝাইতেন যে, রিযিকের প্রশস্ততার ওয়াদা গুরুত্ব সহকারে নামায আদায়ের উপর নির্ভর করে।
          ওলামায়ে কেরাম লিখিয়াছেন, উক্ত আয়াত শরীফে নামাযের হুকুম করার সাথে নিজেও যেন নামাযের পাবন্দি করে ইহার হুকুম এইজন্য দেওয়া হইয়াছে যে, ইহাতে উপকার বেশী হয়। তবলীগের সাথে সাথে অন্যদেরকে যে জিনিসের হুকুম করা হয় নিজে উহার উপর আমল করিলে অধিক কার্যকরী হয় এবং অন্যদেরকেও আমলের প্রতি যত্নবান হওয়ার কারণ হয়। এই জন্যই আল্লাহ তায়ালা আম্বিয়ায়ে কেরাম আলাইহিমুস-সালামকে নমুনাস্বরুপ পাঠাইয়াছেন। যাহাতে লোকদের জন্য আমল করা সহজ হয় এবং কাহারও যেন এই ভয় না থাকে যে, অমুক হুকুম কঠিন; উহার উপর কিভাবে আমল করিব।
          অত:পর উক্ত আয়াতে রিযিকের ওয়াদা করার কারণ এই যে, সময়মত নামায আদায় করিতে গেলে অনেক সময় রুজি-রোজগার বিশেষত: ব্যবসা ও চাকুরীর ক্ষতি হয় বলিয়া মনে হয়। এইজন্য সাথে সাথে সন্দেহ দূর করিয়া দিলেন যে, ইহা আমার জিম্মায়। এইসব ওয়াদা দুনিয়াবী বিষয়সমূহের ব্যাপারে করা হইয়াছে। অত:পর আখেরাতের ব্যাপারে আয়াতের শেষাংশে সাধারণ নিয়ম ও স্পষ্ট বিষয় হিসাবে বলিয়া দিয়াছেন যে, আখেরাতের সুফল ও পুরস্কার তো একমাত্র পরহেজগার ব্যক্তিদের জন্যই; ইহাতে অন্য কাহারও অংশই নাই।

No comments